দ্বীনকে জীবনের উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করার মাঝে জীবনের সাফল্য নিহিত

হাকেমিয়্যাতঃ মাওলানা মওদূদী [রহ.]

হাকেমিয়্যাতঃ মাওলানা মওদূদী [রহ.] 

মাওলানার হাকেমিয়্যাত দর্শন নিয়ে আলোচনার আগে কুরআন থেকে একটা বিষয় দেখে নেয়া জরুরি। কুরআনে মানুষের সফলতা ও মানুষের বিফলতার ২ টি দিক বলা হয়েছে। কয়েকটি আয়াত উল্লেখ করলে তা স্পষ্ট হয়ে যায়। 

এক. কারা বিফল?

আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল কোনো বিষয়ে ফয়সালা দেয়ার পর সে ব্যাপারে কোনো মু’মিন নারী পুরুষের কোনো ক্ষমতা নেই তাঁর বিপরীতে কথা বলার। কথা বললেই সে বিফল অর্থাৎ সে গোমরাহীতে নিমজ্জিত।– আহযাব ৩৬ 

যারা বলে আমরা আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের উপর ঈমান এনেছি । এবং আনুগত্য কবুল করেছি। কিন্তু তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়। এরা মু’মিন নয়। নূর ৪৭-৪৮ 

দুই. কারা সফল?

যখন তাঁদের মধ্যে ফয়সালা করা হবে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এবং এদিকে আহবান করা হবে তখন তারা বলবে, আমরা শুনেছি এবং আনুগত্য করেছি। এটা ঈমানদারদের কাজ। এবং এরাই সফল। - নূর ৫১ 


যদি উপরের দুটি আয়াত ভালোভাবে খেয়াল করি { আরোও অসংখ্য আয়াত আছে সব আয়াত একসাথে দেয়া সম্ভব নয় বিদায় এই আয়াতগুলো দিয়েই বললাম ।} তাহলে দেখবো যে, পৃথিবীর যেকোনো বিষয়, যেকোনো দিক ও যেকোনো বিভাগ নিয়ে ফয়সালা বা সিদ্ধান্ত দেয়ার একমাত্র মালিক, একমাত্র ক্ষমতাধর ও একমাত্র অথরিটি হলেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূল। মাওলানা মওদূদী এটাকে বলেছেন, ‘উর্ধ্বতন আইন’ বা SUPREME LAW . তিনি বলেছেন এই আইন এমন এক নিরঙ্কুশ ক্ষমতাধর যার মোকাবিলায় ঈমানদার ব্যক্তি শুধুই আনুগত্য করবেন। 

এই আইনের বিরোধিতাকারীকে বলা হয়েছে কাফের, মুশরেক ,যালেম, গোমরাহী এবং সীমালঙ্ঘনকারী। আর এই আইনের অধীনে ,এই আইনের গণ্ডীতে এবং এই আইনের সীমারেখায় থাকা ব্যক্তিকে বলা হয়েছে ,সফল ,ঈমানদার ও আনুগত্যপরায়ণ।

 সুতরাং আমাদের কাছে একথা একেবারেই পরিষ্কার যে, হুকুম দিবার ও প্রভুত্ব ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকার আল্লাহ ছাড়া আর কারও নয়। তিনি আদেশ করেছেন সর্বক্ষেত্রে একমাত্র তাঁরই দাসত্ব ও আনুগত্য করতে হবে আর এটাই সঠিক পথ- বাকী সব পথ ও মত বাতিল এবং পরিত্যাজ্য। এই যে, হুকুম দিবার ও ক্ষমতা প্রয়োগ করার একচ্ছত্র মালিক আল্লাহ- এরই নাম হলো ‘’আল্লাহর হাকেমিয়্যাত বা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব’’। 

‘’হাকেমিয়্যাত’’- শাসন কর্তৃত্ব ,প্রভুত্ব ,একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী,উচ্চতর ক্ষমতা, নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব ও আধিপত্য অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

অনেক বোদ্ধা পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব বলে থাকেন যে, মাওলানা মওদূদিই নাকি প্রথম যিনি আল্লাহর সার্বভৌমত্ব বা হাকেমিয়্যাত নিয়ে কথা বলেছেন। এই কথাটা সত্যি নয়। একবিংশ শতাব্দির মুজতাহিদ , আল উস্তাদ আল ইউসুফ আল কারযাবি (আল্লাহ হেফাযতে রাখুন) তাঁর ‘’মিন ফিকহী আদ দাওলাহ ফিল ইসলাম’’ গ্রন্থে বলেছেন যে, ‘’উসুলে ফিকহ শ্রাস্ত্রের ভূমিকায় উসুলবিদগণ শরীয়তের ‘হুকুম’ তথা বিধি-বিধান ,’হাকেম’ তথা আইন প্রণেতা ও ‘’মাহকুম আলাইহি’’ বা শাসিত এবং ‘’মাহকুম বিহি’’ তথা সংবিধান ইত্যাদি বিষয়ের আলচনা করতে গিয়ে ‘হাকেমিয়্যাত’ তথা শাসন কর্তৃত্বের বিষয়টি সম্পর্কেও আলোচনা করেছেন। ইমাম আবু হামিদ আল গাজালী রহ. তাঁর প্রসিদ্ধ কিতাব ‘‘আল মুসতাসফা মিন ইলমিল উসুল’’ গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ে ‘হুকুম’ এর আলোচনা করতে গিয়ে বলেন ; হুকুম হচ্ছে মূলত শরিয়াহর প্রণেতার আদেশ। এরপর তিনি বলেন, হাকেমের আলোচনায় একথা সুস্পষ্ট যে, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ হুকুম দেয়ার অধিকার রাখেনা।‘’[ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা তত্ত্ব ও প্রয়োগ, ইউসুফ আল কারযাভী ,বিআইআইটি] 

মাওলানা মওদূদী রহ. এর  ভাষায়,ইসলামে সার্বভৌমত্ব নির্ভেজালভাবে একমাত্র আল্লাহ তা'আলার জন্য। কোরআন মাজীদ তৌহিদের আকিদায় যে ব্যাখ্যা করেছে তার আলোকে মাওলানা বলেন, এক ও অদ্বিতীয় ‘লা শরীক আল্লাহ’ কেবল ধর্মীয় অর্থেই মা'বুদ নয়,বরং রাজনৈতিক এবং আইনগত অর্থের দিক থেকেও তিনি একচ্ছত্র অধিপতি, রাজা, ক্ষমতাবান ও কতৃত্বশীল। তিনিই আল্লাহ যিনি একমাত্র আদেশ-নিষেধের অধিকারী এবং আইন প্রণয়নকারী। আল্লাহ তা'আলার এই সার্বভৌমত্ব কে তিনি "Legal Sovereignty" হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, ইসলাম আল্লাহর এই ‘আইনগত সার্বভৌমত্ব’ ততটাই জোরের সাথে পরিষ্কারভাবে পেশ করে যতটা জোরের সাথে এবং পরিষ্কারভাবে পেশ করে তাঁর ধর্মীয় সার্বভৌমত্বের আকিদা। মাওলানার দৃষ্টিতে আল্লাহর এই দুই ক্ষমতা আল্লাহর উলুহিয়্যাতের অবশ্যম্ভাবী ফল। একটি থেকে অপরটিকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। যদি ধর্মীয় আকিদা কে গ্রহণ করে বা বেশি জোর দিয়ে অপরটিকে অর্থাৎ রাজনৈতিক ও তামুদ্দনিক আকিদা কে কম জোর বা অস্বীকার করা হয় তাহলে তা ‘আল্লাহর উলুহিয়্যাতে’ অস্বীকার করারই নামান্তর। 

তাছাড়া তিনি মনে করেন, ‘ইসলাম এরূপ সন্দেহ করার কোনো অবকাশ রাখেনি যে , খোদায়ী কানুন বলতে শুধু প্রাকৃতিক বিধানকে বুঝানো হয়েছে। বরং মানুষ তাঁর নৈতিকতা ও বিবেকবোধ দিয়ে যা অনুভব করে ,সামাজিক জীবনে চাল-চলনের ক্ষেত্রে যে ধরনের নিয়মের মধ্যে দিয়ে তাঁকে চলতে হয়—এর সবকটা জায়গায়ই মানুষ আল্লাহর সেই শরঈ আইন স্বীকার করে নেবে যা তিনি তাঁর নবীদের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন।‘ সুতরাং আইন মান্য করা ও সব স্তরে আল্লাহর আইনকে প্রাধান্য দেয়ার নামই আল্লাহর উলুহিয়্যাতে বিশ্বাস করা। 

এই যে নিজের স্বাধীন সত্তাকে আল্লাহর অধীনে বিলিয়ে দেয়া, নিজের ইচ্ছা-শক্তি ,চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি ও আচার-ব্যবহার, কথাবার্তা ইত্যাদিকে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের নিকট বিলিয়ে দেয়া। এরই নাম মাওলানা দিয়েছেন- ইসলাম বা সারেন্ডার (Surrender)। হাকিমিয়্যাহ অর্থাৎ সুপ্রিম আইনের উপরে কোনো বিকল্প আইন হতে পারেনা। সুপ্রিম আইনের মোকেবেলায় একমাত্র সেই আইনের প্রতি শর্তহীন আনুগত্য দেখাতে হয়।

তারপর তিনি মূল সূত্র কোরআনের সাহায্যে পেশ করেন। তিনি বলেন, সমাজের ,রাষ্ট্রের যেসব ক্ষেত্রে তা রাজনৈতিক হোক, কি পররাষ্ট্রনীতির হোক- যুদ্ধক্ষেত্রে হোক-সন্ধি বা চুক্তি,মিছিল বা জন সমাবেশ, ইবাদাত বা দোয়া ,সাংগঠনিক কাজেই হোক আল্লাহ ও তাঁর রাসুল যা ফয়সালা দিয়েছেন সেসব ক্ষেত্রে কোনো মানুষের ফয়সালা করার অধিকার নাই। তিনি এই সূত্রের আইনত রেফারেন্স হিসেবে কোরআনে বর্ণিত এই আয়াতটি গ্রহণ করেছেন।

আল্লাহ বলেন,"আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল যখন কোনো ব্যাপারে ফয়সালা করে দেন, তখন কোনো মুমিন পুরুষ এবং কোন মুমিন স্ত্রীলোকের নিজেদের সেই ব্যাপারে ভিন্নরূপ ফয়সালা করার অধিকার নেই। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অবাধ্যতা করে সে নিশ্চয়ই সুস্পষ্ট গোমরাহীতে লিপ্ত হলো"। 

নৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আল্লাহর প্রভুত্বের হিসাব নিকাশের পর এবার মাওলানা বলেন, তাহলে এই পৃথিবীর ভূখন্ডের সার্বভৌমত্ব কার হাতে থাকবে? 

সাবধান! সৃষ্টি তাঁর ,নির্দেশও তাঁরই – সূরা আল আরাফ

তারা বলে, আমাদেরও কি কোনো ইখতিয়ার আছে? বলো, সমস্ত ইখতিয়ার আল্লাহরই।– সূরা আলে ইমরান 

চোর- নারী পুরুষ উভয়ের হাত কেটে দাও- তুমি কি জান না যে, আসমান জমীনের সব বাদশাহী আল্লাহরই জন্য।– সূরা আল মায়েদা। 

তোমাদের মধ্যে যে মতভেদই হোক না কেন, তাঁর ফয়সালা করা আল্লাহর কাজ।– সূরা আশ শুয়ারা। 

শাসন কর্তৃত্ব আল্লাহ‌ ছাড়া আর কারোর নেই। তাঁর হুকুম- তোমরা তাঁর ছাড়া আর কারোর বন্দেগী করবে না। এটিই সরল সঠিক জীবন পদ্ধতি, কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না। সূরা ইউসুফ। 

মাওলানা মওদূদী রহ. সার্বভৌমত্বের আলোচনায় এক পর্যায়ে বলেন, পৃথিবীর কোনো মানুষই আল্লাহর এই সার্বভৌমে অস্বীকার করেনা। কাফের-মুশরেকরাও করতো না। এই কথার অসংখ্য দলিলও কুরআনে রয়েছে। তাহলে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের সাথে মানুষ বা রাষ্ট্রের বিরোধ কোথায়? তিনি বলেন বিশ্বভূবনের মালিক কে- এই প্রশ্নে কোনো বিরোধ নাই। কিন্তু নির্দিষ্ট করে যদি বলা হয় যে, এই ভূখন্ডের মালিক কে? যেমন, বাংলাদেশের মালিক কে? তখনি মূলত বিরোধ শুরু হয়। ইসলামের দৃষ্টিতে নিখিল বিশ্বের মালিক যেমন আল্লাহ-এই বাংলাদেশের মালিকও তেমনি- আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ।

Share:

শাহাদাতের জন্য দোয়া_আলী আহমাদ মাবরুর

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার বাড়ী গিয়েছেন? ফরিদপুর শহর থেকেও প্রায় এক ঘন্টা লাগে যেতে। আমি যতবারই যাই, খুব বিস্মিত হয়ে ভাবি, কত বছর আগে যখন আন্দোলনের কাজ এতটা বিস্তৃত ছিল না, তখনও এই এলাকার একজন মানুষ ইসলামী আন্দোলনের দাওয়াত পেয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তার আন্ডারস্ট্যান্ডিংও ছিল অসাধারণ মানের। আমি পারিবারিক সূত্রে জানি, তার শ্বশুড় নিজের মেয়েকে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার সাথে বিয়ে দিয়ে রাজি হয়েছিলেন পত্রিকার একটি লেখা পড়ে। শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা মেরাজের ঘটনার ওপর অসাধারণ ঐ লেখাটি লিখেছিলেন। 

এত বছর পরও আমি এ ঘটনা চিন্তা করে অবাক হই, কীভাবে সেই সময়ের একজন মানুষের মাঝে ইসলাম সম্বন্ধে এত গভীর ধারনা তৈরি হয়েছিল। কিংবা ধরেন বোমা হামলায় নিহত জামায়াত কর্মী শহীদ জয়নুল আবেদীনের শোকসভায় তার বক্তব্য। শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা ধারনা করছেন, তাকেও এভাবে একদিন বোমা আক্রান্ত বা গুলিবিদ্ধ হয়ে মরতে হতে পারে। আকুতিভরা কন্ঠে তিনি শাহাদাত কামনা করেছেন। এই বক্তব্যটা শুনলেও আমি বিমোহিত হই। ইসলামী আন্দোলন আর শাহাদাত- এ দুটো যে একেবারে সমান্তরাল -- এ বিষয়টি তিনি কত গভীরভাবে অনুধাবন করেছিলেন। ওখান থেকে আজকের বাস্তবতায় যখন আসি, তখন দেখি, শাহাদাতের মর্যাদা ও গুরুত্ব নিয়ে অনেক আলোচনা বা লেখালেখি হচ্ছে। 

কিন্তু নিজের জন্য শাহাদাত চাওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমে এসেছে। জীবন হারানোর বিষয়ে আমাদের এখন অনেক ভয়। এমনকী যারা সারাদিন অপরকে জীবন কুরবানি করার পরামর্শ দিচ্ছেন, তাদের অনেকেই জীবনের ঝুঁকি আছে বলেই বহু আগে সেইফ জোনে চলে গেছেন। তাই তাদের কথাতেও আর সেভাবে প্রভাব পড়ে না। কাল থেকে বিষয়গুলো নিয়ে খুব ভাবলাম। পরে অনুভব করলাম, শাহাদাত কামনা করার জন্য আলাদা সাহসের দরকার হয়। জীবন যাপনই ভিন্নরকম হতে হয়। যে পরিমান বৈষয়িকতায় আমরা মত্ত হয়ে আছি, তাতে জীবনকে বিলিয়ে দেয়ার মতো সৎসাহস অর্জন করা সহজ নয়। আমার কাছে শাহাদাতের আকাংখা কমে যাওয়ার কিছু কারণ খুব প্রতীয়মাণ হলো: 

১. জাগতিক মোহগ্রস্ততা। ভোগবাদিতায় মত্ত জীবন। 

২.আন্দোলনের বুঝ না থাকা। যতটুকু বুঝ আছে তা প্রয়োগে অনীহা থাকা 

৩. এমন কোনো ফ্যাক্টর না হতে পারা, যাতে বাতিলশক্তি আমাকে হুমকি মনে করে 

৪. আবেগ কমে যাওয়া। এ কারণেই, আমরা সকালে শহীদের জন্য দু লাইন লিখে একটু পরই তার শাহাদাতের চেতনার বিরোধী কাজে যুক্ত হতে পারছি। 

 ৫. আন্দোলনের অনেক কৌশলের মতো শাহাদাতকেও সময়োপোযগী মনে না করা। 

দৃষ্টিভঙ্গিটি এমন হয়ে যাচ্ছে যে, আগে যেভাবে শাহাদাতের প্রয়োজনীয়তা ছিল, বিশ্ব পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ায় এখন আর তেমনটা প্রয়োজন নেই। এরকম আরও অনেক কারণই বলা যেতে পারে। তবে, প্রকৃত সত্য হলো, তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক- উভয় অর্থেই ইসলামী আন্দোলন শাহাদাতের রক্তে বেগবান হয়। শাহাদাত বা শহীদ হওয়ার আকাংখাকে এড়িয়ে গেলে আমরা কখনোই প্রত্যাশিত মনজিলে পৌঁছতে পারবো না।

Share: